'বিশ্বাসের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে': ধর্মীয় সংখ্যালঘু নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে পাকিস্তানের সমালোচনা জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের অনুষ্ঠানে বক্তাদের 03.07.2026

সম্প্রতি জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের (UNHRC) একটি পার্শ্ববর্তী অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক বক্তা ও মানবাধিকার কর্মীদের পক্ষ থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘু নারীদের প্রতি পাকিস্তানের আচরণের তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে এবং একে মৌলিক স্বাধীনতার লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। "পাকিস্তানে ধর্মীয় সংখ্যালঘু নারীদের সুরক্ষা" শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তি এবং মানবাধিকার কর্মীদের সাক্ষ্য দেওয়া হয়, যেখানে হিন্দু ও খ্রিস্টান মেয়েদের লক্ষ্য করে জোরপূর্বক ধর্মান্তর, অপহরণ এবং বিবাহের মতো ঘটনাগুলোর বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়। বক্তারা যুক্তি দেন যে, পাকিস্তানের অবমাননা আইন (blasphemy laws) এবং আইনি সুরক্ষার অভাব অপরাধীদের দায়মুক্তি নিশ্চিত করছে, যেখানে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায়শই হস্তক্ষেপ করতে ব্যর্থ হয়। জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে পাকিস্তানের প্রতিনিধিদল এই অভিযোগের সরাসরি কোনো জবাব দেয়নি, তবে তারা সংবিধানের অধীনে সকল নাগরিকের অধিকার রক্ষার প্রতি তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। তবে সমালোচকরা উল্লেখ করেছেন যে, সাংবিধানিক গ্যারান্টি থাকা সত্ত্বেও সংখ্যালঘু নারীরা সামাজিক बहिष्कार এবং পুলিশের मिलीভোক্তার মতো পদ্ধতিগত বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। অনুষ্ঠানটিতে পাকিস্তানের আইনি কাঠামো সংস্কার এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির আহ্বান জানানো হয়। পাকিস্তানে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার বিষয়ে ক্রমবর্ধমান বিশ্বব্যাপী উদ্বেগের মধ্যেই এই সমালোচনা সামনে এলো, যেখানে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাদের ওপর সহিংসতার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ পাকিস্তানের মানবাধিকার রেকর্ড পর্যালোচনা করা অব্যাহত রেখেছে এবং বেশ কিছু সদস্য রাষ্ট্র ভulnerable বা অরক্ষিত গোষ্ঠীগুলোকে রক্ষার জন্য সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।















